Hi, Guest! Login Register

অপু বিশ্বাস ডিভোর্স প্রত্যাখান করলেন বিস্তারিত

HomeEntertainmentঅপু বিশ্বাস ডিভোর্স প্রত্যাখান করলেন বিস্তারিত

tipsmela.com
শাকিব খানের পাঠানো তালাকনামায় আনা যাবতীয় অভিযোগ, পরবর্তী পদক্ষেপ, সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এ প্রতিবেদকের মুখোমুখি হয়েছেন অপু বিশ্বাস। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীরও হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি।
প্রশ্ন : কেমন আছেন ?
অপু: যেমন থাকার কথা না তেমন আছি। যখন স্বামী, সন্তান, অভিনয় নিয়ে আনন্দে দিন কাটানোর কথা ঠিক তখন মাথার উপরে স্বামীর দেওয়া তালাকনামা।
প্রশ্ন : এখন কী করবেন বলে ভাবছেন?
অপু: কোন ব্যাপারে?
প্রশ্ন : এই যে শাকিব খান আপনাকে তালাকনামা পাঠালেন এই ব্যাপারে..
অপু: আমি এই ডিভোর্স মানি না।
প্রশ্ন : কিন্তু এটা তো শাকিব আইনি পদ্ধতিতে করেছে। সেক্ষেত্রে কি আপনি আইনের দ্বারস্থ হবেন?
অপু: আমি স্বামী, সংসার দুটোই চাই। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের পথ থাকবে ততক্ষণ আইনের দ্বারস্থ হব না।
প্রশ্ন : আপনি যখন কলকাতায় ডাক্তার দেখাতে গেছেন তখন সাথে আপনার ‘বয়ফ্রেন্ড’ ছিলেন, আব্রামকে বাসায় কাজের লোকের কাছে তালা বন্ধ করে গিয়েছিলেন। এই সমস্ত অভিযোগের ব্যাপারে কিছু বলবেন?
অপু: কলকাতায় না, আমি গিয়েছিলাম শিলিগুড়িতে। আমার বাচ্চাও হয়েছে শিলিগুড়িতে। আর বয়ফ্রেন্ডের যে কথাটা উঠেছে তাতে আমি রীতিমত হেসেছি।
প্রমাণ ছাড়া অহেতুক অভিযোগ করলে হাসি ব্যতীত আর কিছু করার থাকে না। সত্য একদিন প্রকাশ পাবে। আর যেদিন সত্য উন্মোচিত হবে, সেদিন অভিযোগকারীরা লজ্জা পাবে। এখানে অভিযোগকারী আমার নিজের স্বামী। স্বামীর লজ্জা তো আমারও লজ্জা।
তাই শাকিবকে বলছি, এমন অহেতুক অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ করার আগে আমার কাছে যেন জানতে চায়। আমি তো ওর স্ত্রী। আর আব্রামকে কাজের লোকের কাছে রেখে গেছি তালা বন্ধ করে, এ অভিযোগটাও একদম ভিত্তিহীন। একজন মা কি কখনও তার সন্তানকে অনিরাপদ রেখে যেতে পারেন?
প্রশ্ন : এই যে এত এত অভিযোগ তুলছে আপনার স্বামী, সেক্ষেত্রে কম্প্রোমাইজ করে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেওয়া কষ্টের হবে না?
অপু: এখানে জয় (ছেলে) আমার সবটা। জয়ের জন্য আমি মৃত্যু মেনে নিতে পারি। আর এই যে কম্প্রোমাইজের কথা বলছেন এটাও জয়ের জন্য। হ্যাঁ, শাকিবকেও আমি সেই প্রথম দিনের মতোই ভালোবাসি। কিন্তু জয়ের ভবিষ্যৎ ভেবেই আমি এ ডিভোর্স মানি না। একটা ব্রোকেন ফ্যামিলির বাচ্চা হয়ে জয় বেড়ে উঠুক, আমি এটা চাই না। এজন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব সমাধানের।
প্রশ্ন : সমাধানের জন্য জন্য তো আইনি লড়াইয়ে আপনাকে যেতেই হবে, তাই না?
অপু: না আমি মামলাবাজ না। আর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আদালত পর্যন্ত যাক এটা আমি চাই না। তাতে বরং সম্পর্কের আরও অবনতি হবে। আমি চাই আমাদের সম্পর্কের ভেতর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হস্তক্ষেপ করুক। কারণ তিনি একজন মমতাময়ী মা। তিনি অবশ্যই আমার জয়ের কথা ভাববেন। এবং একটা সুস্থ সমাধান দেবেন।
প্রশ্ন : আপনাদের পারিবারিক ঝামেলায় কেন প্রধানমন্ত্রী আসবেন?
অপু: আমাদের ঝামেলাটা আর পারিবারিক নেই। এটা রাষ্ট্রীয় হয়ে গেছে। একটু আগে আপনিই বলেছেন চায়ের দোকানে, পাবলিক বাসে আমাদের নিয়ে আলোচনা হয়। মানুষ একজন তারকার কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়। তাই ভাঙনের অনুপ্রেরণা আমি দিতে চাই না।
আর আজকে আমি অপু বিশ্বাস বাংলাদেশে একটা পরিচিত মুখ । আমার সাথে আমার ঘরে অবিচার হচ্ছে, তাহলে অন্য সাধারণ নারীরা, যারা অপু বিশ্বাস না, তাদের কী অবস্থা হচ্ছে ভাবুন একবার। এজন্যই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই।
শুধু আমার একার বিষয়ে না, আমি চাই আমাদের মমতাময়ী নেত্রী বাংলাদেশের প্রতিটা প্রান্তিক নারীর পাশে তার স্বভাবসুলভ মাতৃত্ব নিয়ে দাঁড়াক।
প্রশ্ন : এতদিন কেন সাংবাদিকদের সামনে আসেননি?
অপু: এখনও তো আসছি না। আসলে একটা মেয়ের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ খুব কষ্টের। আপনাদের মুখোমুখি হয়ে সেদিন কীইবা বলতে পারতাম বলুন। ওই পরিস্থিতিতে কিছু বলা যায় না আসলে। সেদিন আমার বাসার সামনে সাংবাদিক ভাইয়েরা দাঁড়িয়ে ছিল এর জন্য দুঃখিত।
আর সাংবাদিক ভাইদের বলতে চাই কিছু হলেই আমার বাসার সামনে ভিড় জমাবেন না। এতে আশেপাশের মানুষজন বিরক্ত হয়, নানা কটূ কথা ছড়ায়। আমাকে তো ওই বাসাটাতে সন্তান নিয়ে থাকতে হয়।
তাই প্লিজ কিছু ঘটলে আমাকে ফোন করুন। আমি ফোন না ধরলে অপেক্ষা করুন। আমি তো আর পালিয়ে যাচ্ছি না।

Share this post on Social Network:
Google+ Pinterest

About Author

Total Posts [347]
mm
› Total Post: [347]

শিখাতে এসেছি তবে মাঝে মধ্যে শিখাতে গিয়ে শিখে আসি!!!!
আমি Tipsmela এর পাশে আছি।


Leave a Reply

You Must be Login or Register to Submit Comment.

Developed by MD Abdullah | Copyright 2016-17 TipsMela.Com